নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সংলাপের নামে যে ভেল্কিবাজি করা হচ্ছে, সংলাপের নামে যে বায়োষ্কোপ করা হচ্ছে, তার জন্য জাতির কাছে একদিন আওয়ামী সরকারকে জবাবদিহী করতে হবে।
তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রপতি কিসের সংলাপ করছেন? তাহলে আবারও কি হুদা মার্কা নির্বাচন হবে? আবারও কি আরেকটি রকিব মার্কা নির্বাচন হবে? হুদা মার্কা নির্বাচনে আমরা দেখেছি নিশিরাতের নির্বাচন, দিনের বেলায় কোন নির্বাচন হয় না। রাতের অন্ধকারে নির্বাচন হয়। আর রকিব মার্কা নির্বাচনে দেখেছি চতুশ্পদ জন্তু ভোট কেন্দ্রে ঘুরে বেড়ায়, সেখানে ভোটাররা থাকে না।
আজ সোমবার দুপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে নবগঠিত খুলনা জেলা ও মহাগরের নেতাকর্মীদের নিয়ে পুষ্পার্ঘ অর্পন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, আজকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে সংলাপ শুরু করছেন। আমি শুধু এই টুকু বলতে চাই রাষ্ট্রপতি তো দেশের অভিভাবক। তিনি যদি অভিভাবকই হন সারা জাতি কি চায়? তাদের আকাঙ্খা কি? তাদের কণ্ঠস্বর থেকে কি শব্দ বের হচ্ছে, এটা তো একজন অভিভাবকের উপলব্ধি করা উচিৎ। একটা পরিবারের অভিভাবক যেমন প্রত্যেকটি সন্তানের অভিযোগ শ্রবণ করেন এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেন রাষ্ট্রের অভিভাবকেরও তো সেটাই করার কথা।
তিনি বলেন, ডিসেম্বর মাস বিজয়ের মাস। নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের ভৌগলিক স্বাধীনতা পেয়েছি। কিন্তু প্রকৃত অর্থে যে স্বাধীনতা সেটা আমরা পাইনি। আজকে যারা রাষ্ট্র ক্ষমতায়, এরা যখনি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসিন হয়েছেন, তখনি গণতন্ত্রকে হত্যা করেছেন ঠিক কসাইয়ের মতো। নাগরিকদের সকল স্বাধীনতাকে গলাটিপে হত্যা করেছে এই অবৈধ সরকার।
বিএনপির এই নেতা বলেন, খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে কারারুদ্ধ করে উন্নত চিকিৎসা থেকে তাকে বঞ্চিত করে সরকার নির্দয় নিষ্ঠুর শাসকের পরিচয় দিচ্ছে। খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।তার শারীরিক অবস্থা এখনও ভালো না। সরকারের আচরণ টিক্কা খান, চেঙ্গিস খানকেও হার মানিয়েছে। সুতরাং এটা হতে পারে না।
এ সময় বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব হাবিবুন নবী খান সোহেল, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারি হেলালসহ নবগঠিত খুলনা জেলা ও মহানগরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply